মঙ্গলবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, নদীতে ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। পরে সেই বালু ট্রলিতে করে বিভিন্ন গন্তব্যে নেওয়া হচ্ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, নদীর তীর ও বাঁধের কাছাকাছি থেকে বালু উত্তোলনের কারণে এলাকার ভৌগোলিক ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে।
এলাকাবাসীর ভাষ্য, রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী কয়েকজন বালু ব্যবসায়ীর সম্পৃক্ততার কারণে তারা প্রকাশ্যে কোনো প্রতিবাদ করতে পারছেন না। অবৈধ বালু উত্তোলনের ফলে ভবিষ্যতে নদীভাঙন বেড়ে গিয়ে কয়েকটি গ্রাম ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।
স্থানীয়রা জানান, প্রশাসন মাঝে মধ্যে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ড্রেজার ও বালু উত্তোলনের সরঞ্জামের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিলেও তা স্থায়ী কোনো সমাধান আনতে পারেনি। অভিযান শেষ হওয়ার কিছুদিন পরই আবার নতুন করে বালু উত্তোলন শুরু হয়।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিদ্যমান আইন অনুযায়ী অনুমোদন ছাড়া নদী বা উন্মুক্ত স্থান থেকে বাণিজ্যিকভাবে বালু উত্তোলন দণ্ডনীয় অপরাধ। এরপরও অবৈধভাবে বালু উত্তোলন চলতে থাকায় কৃষিজমি, সড়ক, সেতু ও নদীবাঁধ হুমকির মুখে পড়ছে।
এ বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত উপজেলা প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের কার্যকর হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন। তাদের দাবি, অবৈধ বালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং নদী ও বাঁধ রক্ষায় নিয়মিত নজরদারি নিশ্চিত করা হোক।
প্রতিবেদকের নোট: ভারসাম্যপূর্ণ প্রতিবেদনের স্বার্থে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, পানি উন্নয়ন বোর্ড বা সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের বক্তব্য যুক্ত করলে সংবাদটি জাতীয় দৈনিকের মান অনুযায়ী আরও শক্তিশালী ও গ্রহণযোগ্য হবে।
মতামত