দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি শুরু হওয়ার খবরে দেশের বাজারে দ্রুত দাম কমতে শুরু করেছে। মাত্র দুদিনের ব্যবধানে দেশি পেঁয়াজের দাম কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা কমে যাওয়ায় ক্রেতাদের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে।
যেখানে দুদিন আগেও দেশি পেঁয়াজ ১২০ থেকে ১৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছিল, সেখানে এখন বাজারে সব ধরনের পেঁয়াজের দাম নিম্নমুখী।
পূর্বের দাম দেশি শুকনো পেঁয়াজ ১৩০ থেকে ১৫০ টাকা এবং দেশি কাঁচা পেঁয়াজ ১০০ থেকে ১১০ টাকা প্রতি কেজি। বর্তমান দাম দেশি শুকনো পেঁয়াজ ১২০ টাকা, দেশি কাঁচা পেঁয়াজ ৭০ টাকা এবং সদ্য আমদানি করা ভারতীয় পেঁয়াজ ৮০-৮৫ টাকা প্রতি কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
হিলি বাজারের খুচরা বিক্রেতারা জানান, ভারতীয় পেঁয়াজ আসার খবর পাওয়ায় বাজারে দাম কমতে শুরু করেছে। আমদানি বাড়লে দ্রুত দাম আরও কমে আসবে। ক্রেতারা এখন তুলনামূলক সস্তা দেশি কাঁচা পেঁয়াজ ৭০ টাকা বেশি কিনছেন।
সরকারের অনুমতির পর রোববার (৭ ডিসেম্বর) বিকেলে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে প্রথম চালান হিসেবে ৩০ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানি হয়। সোমবার দুপুর পর্যন্ত নতুন চালান না এলেও বিকেলে পেঁয়াজ ট্রাক আসা শুরু হতে পারে।
বন্দরের আমদানিকারক আতিক হাসান রুবেল জানান, নাসিক থেকে প্রতি টন পেঁয়াজ ২৪৫ ডলারে আমদানি করতে হচ্ছে। সব খরচ ধরে সোমবার সকালে আমদানি করা পেঁয়াজ বন্দরে ৭৫ টাকা দরে পাইকারি বিক্রি হচ্ছে। তিনি আশা করেন, পুরোদমে আমদানি শুরু হলে দাম আরও কমে আসবে।
হিলি স্থল শুল্ক স্টেশনের রাজস্ব কর্মকর্তা এম আর জামান বাঁধন জানান, বর্তমানে ভারত থেকে প্রতি মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানিতে ১০ শতাংশ শুল্ককর প্রায় ৫ টাকা ১৯ পয়সা প্রতি কেজি পরিশোধ করতে হচ্ছে। বেশ কয়েকদিন ধরে বাজারে পেঁয়াজের দাম ১৩০-১৫০ টাকায় পৌঁছানোর পর সরকার আমদানির সিদ্ধান্ত নেয়। আমদানির অনুমতি মেলার ফলেই বাজারে দ্রুত ইতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করেছে।
মতামত