রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর নারায়ণগঞ্জের বন্দরে ভোল পাল্টে রাতারাতি কট্টর বিএনপি নেতা বনে গেছেন মদনপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক মেম্বার সফিক। আওয়ামী লীগ সরকারের ১৭ বছরে দাপুটে আওয়ামী অনুসারী হিসেবে পরিচিত এই নেতার এমন আকস্মিক পরিবর্তনে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আওয়ামী লীগের শাসনামলে বন্দর থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি এম এ রশীদের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠজন হিসেবে এলাকায় আধিপত্য বিস্তার করতেন সফিক। সাধারণ মানুষের ওপর জুলুম ও প্রভাব খাটানোর বিস্তর অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। তবে ক্ষমতার শেষ সময়ে এসে তৎকালীন ইউপি চেয়ারম্যান সালামের সঙ্গে বিরোধের জেরে একটি নাশকতা মামলায় আসামি হন তিনি। এখন সেই মামলাকেই রাজনৈতিক ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে নিজেকে বিএনপির ত্যাগী নেতা হিসেবে জাহির করছেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় এক যুবদল নেতা জানান, সফিক মেম্বার আগাগোড়াই আওয়ামী লীগের দোসর ছিলেন। তার অত্যাচারে একসময় মানুষ অতিষ্ঠ ছিল। অথচ এখন তিনি নিজেকে বড় বিএনপি নেতা দাবি করছেন, যা প্রকৃত ত্যাগী নেতাদের জন্য বিব্রতকর।
সচেতন মহলের মতে, ১৭ বছর আওয়ামী লীগের এজেন্ডা বাস্তবায়নকারী একজন ব্যক্তি কীভাবে রাতারাতি কট্টর বিএনপি নেতা হয়ে যান, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। অনুপ্রবেশকারীদের কারণে দলের ভাবমূর্তি যেন ক্ষুন্ন না হয়, সেজন্য বিএনপির নীতি-নির্ধারকদের দ্রুত হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন স্থানীয় তৃণমূলের নেতাকর্মীরা।
মতামত