সারাদেশ

শেরপুরে চাকরি দেওয়ার নামে ১০ লাখ টাকা আত্মসাৎ, ক্ষতিপূরণ দাবি

প্রিন্ট
শেরপুরে চাকরি দেওয়ার নামে ১০ লাখ টাকা আত্মসাৎ, ক্ষতিপূরণ দাবি

প্রকাশিত : ৪ জানুয়ারি ২০২৬, দুপুর ২:৫৮

শেরপুর চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ১০ লাখ ৮০ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে শেরপুরের নকলায় এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা ও ক্ষতিপূরণ আদায়ের দাবি উঠেছে। ভুক্তভোগী মো. একরামুল হক ডালিম অভিযুক্ত মোজাম্মেল হক বকুলের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ জানান। বর্তমানে অভিযুক্ত ব্যক্তি শেরপুর কসবা টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড বিএম কলেজে লাইব্রেরিয়ান হিসেবে কর্মরত।

লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০১৪ সালে একরামুলের এক আত্মীয়কে চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ১০ লাখ ৮০ হাজার টাকা নেন নকলা উপজেলার ধনাকুশা গ্রামের মোজাম্মেল হক বকুল। কিন্তু দীর্ঘ ১১ বছরেও চাকরি বা টাকা কোনোটিই ফেরত পাননি ভুক্তভোগী। এ নিয়ে স্থানীয়ভাবে একাধিকবার সালিস বৈঠক হলেও অভিযুক্ত ব্যক্তি টালবাহানা করে সময়ক্ষেপণ করেন। একপর্যায়ে তিনি এলাকা ছেড়ে শেরপুর শহরে বাসা ভাড়া নিয়ে থাকতে শুরু করেন।

ভুক্তভোগীর দাবি, সম্প্রতি কলেজের শিক্ষক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে পুনরায় সালিস হলে এক মাসের মধ্যে টাকা ফেরতের প্রতিশ্রুতি দেন মোজাম্মেল। কিন্তু নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও তিনি টাকা দেননি। উল্টো টাকা ফেরত চাইলে ভুক্তভোগীদের নামে চাঁদাবাজির মামলা দেওয়ার হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, অভিযুক্ত মোজাম্মেল হক কলেজে একটি সিন্ডিকেট গড়ে তুলে অনেকের কাছ থেকে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নিয়েছেন এবং টাকার বিনিময়ে জাল সনদপত্র সরবরাহ করেন। দীর্ঘ ১১ বছর ধরে অর্থ আটকে থাকায় বর্তমান বাজারমূল্য বিবেচনায় ১০ লাখ ৮০ হাজার টাকার বিপরীতে ৫৫ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন ভুক্তভোগী।

ভুক্তভোগী একরামুল হক এই ঘটনায় সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ এবং পাওনা টাকা উদ্ধারে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।