স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আটি হাউজিংয়ের ২ নম্বর সড়কের মসজিদের বিপরীত পাশের ওই ভবনের মালিক আজিজ। তিতাস কর্তৃপক্ষ এর আগে ভবনটির অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করলেও তিনি পুনরায় রাইজার টেনে প্রতিটি ফ্ল্যাটে গ্যাস সংযোগ দিয়েছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ভাড়াটিয়া জানান, তারা প্রতি মাসে ভবন মালিককে গ্যাস বিল বাবদ এক হাজার টাকা করে দিচ্ছেন। ১৮টি ফ্ল্যাট থেকে মাসে ১৮ হাজার টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন মালিক আজিজ।
হিসাব অনুযায়ী, অবৈধ এই সংযোগের কারণে বছরে সরকারের প্রায় ২ লাখ ৩৩ হাজার টাকার বেশি ক্ষতি হচ্ছে। গত ১৫ বছরে এ ভবন থেকে প্রায় ৩০ লাখ টাকার গ্যাস চুরি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এলাকাবাসী জানান, এসব অসাধু ব্যক্তির কারণে এলাকার সুনাম ক্ষুণ্ন হচ্ছে। অবৈধ সংযোগের কারণে বৈধ গ্রাহকরা ঠিকমতো গ্যাস পাচ্ছেন না। তারা অবিলম্বে ভবন মালিক আজিজসহ জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থার দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত ভবন মালিক আজিজের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
তবে নারায়ণগঞ্জ তিতাসের উপ-মহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) মনিরুল আজিম মোহন কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, কেউ অবৈধভাবে গ্যাস সংযোগ বা অতিরিক্ত চুলা ব্যবহার করলে তার বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মতামত