পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত ২০ ফেব্রুয়ারি পাড়াগাঁও এলাকার কাউছার আহমেদ জুয়েলের মেয়ে সুমাইয়াকে সিজারের জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। রোববার সকালে অস্ত্রোপচারের পর তার মৃত্যু হলে স্বজনরা ভুল চিকিৎসার অভিযোগ তুলে ভুলতা পুলিশ ফাঁড়িতে খবর দেন। এ নিয়ে হাসপাতাল চত্বরে চরম উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরে স্থানীয় প্রভাবশালী ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের মধ্যস্থতায় মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে বিষয়টি আপোষ-মীমাংসা করা হয়।
নিহতের চাচা জাহিদ আমির জানান, ভুল চিকিৎসায় মৃত্যু হলেও ভাতিজিকে আর ফিরে পাওয়া যাবে না ভেবে তারা সমঝোতা করে মরদেহ নিয়ে এসেছেন। ভুলতা ফাঁড়ির এসআই মিজানুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করি। পরে শুনেছি উভয় পক্ষ সমঝোতা করেছে। তবে টাকার বিষয়ে আমার জানা নেই।
ডিকেএমসি হাসপাতালের পরিচালক নজরুল ইসলাম ভুল চিকিৎসার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, অপারেশনের পর স্বজনরা রোগীকে শুয়ে থাকা অবস্থায় পানি ও রুটি খাওয়ান। খাবার শ্বাসনালীতে আটকে যাওয়ায় রোগীর অবস্থা সংকটাপন্ন হয় এবং আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এখানে চিকিৎসায় কোনো ত্রুটি ছিল না।
এ বিষয়ে রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সবজেল হোসেন জানান, এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মতামত