স্থানীয়দের অভিযোগ, গোগনগর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আক্তার হোসেন ও যুবদল নেতা মন্টুর নেতৃত্বে এই অবৈধ হাট বসানোর কাজ চলছে। অভিযোগ উঠেছে, বিআইডব্লিউটিএ নিতাইগঞ্জ শাখার কয়েকজন অসাধু কর্মকর্তার যোগসাজশে মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে এই প্রক্রিয়া চালানো হচ্ছে।
এলাকাবাসী জানান, নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন বা উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই হাটের কোনো বৈধ অনুমোদন দেওয়া হয়নি। অনুমোদন ছাড়াই হাটের কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ায় জনমনে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। একই এলাকায় একাধিক হাট ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে যেকোনো সময় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশঙ্কা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
এ বিষয়ে জানতে গোগনগর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আক্তার হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। সম্ভাব্য বিশৃঙ্খলা এড়াতে এবং অবৈধ হাট বন্ধে জেলা প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন সাধারণ জনগণ।
মতামত