আয়োজকরা জানান, অরাজনৈতিক এই অনুষ্ঠানে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। দুপুরে একদল পুলিশ এসে মৌখিকভাবে অনুষ্ঠান স্থগিতের নির্দেশ দিলে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। সমিতির সভাপতি ইউসুফ রশীদের দাবি, বিদ্যুৎ মামুনের আপত্তির কারণেই পুলিশ এই বাধা দিয়েছে।
অভিযোগকারী হিসেবে নাম আসা মিজানুর রহমান জানান, তার চাচা বিএনপি নেতা বিদ্যুৎ মামুনের কথাতেই তিনি থানায় অভিযোগপত্র জমা দিয়েছিলেন। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে বিদ্যুৎ মামুন বলেন, ইফতার বন্ধের সঙ্গে আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। উল্টো বর্তমান কমিটির বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন আছে এবং সেখানে দুই পক্ষের সংঘর্ষের আশঙ্কা ছিল।
সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহাম্মদ আব্দুল বারিক জানান, একটি লিখিত অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। তবে তদন্তে দেখা গেছে এটি সম্পূর্ণ সামাজিক অনুষ্ঠান, কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নেই। ফলে আয়োজকদের অনুষ্ঠান চালিয়ে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে এবং পুলিশের পক্ষ থেকে আর কোনো বাধা নেই।
ইফতার আয়োজন ঘিরে এমন রশি টানাটানিতে হীরাঝিল এলাকার সাধারণ বাসিন্দাদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।
মতামত