স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ৫ই আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর আওয়ামী লীগের চিহ্নিত চাঁদাবাজরা আত্মগোপনে চলে যায়। তখন সাধারণ মালিকরা মিলে একটি কমিটি গঠন করে স্ট্যান্ডটি সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালনা করে আসছিলেন। কিন্তু সম্প্রতি নির্বাচনের পর বিএনপির কিছু নেতার নাম ভাঙিয়ে সেই পুরনো সিন্ডিকেটই নব্য বিএনপি সেজে মাঠে নেমেছে। তারা সাধারণ মালিকদের হুমকি দিয়ে জোরপূর্বক চাঁদা আদায় করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগের আঙুল উঠেছে বেশ কয়েকজন প্রভাবশালীর দিকে। তাদের মধ্যে রয়েছেন, সুদখোর
শফিক ও আব্দুল, তারা আউলাবন এলাকার সাবেক আওয়ামী লীগ নেতা হিসেবে পরিচিত। সোহেল, সাবেক কাউন্সিলর ও আলোচিত শাহাজালাল বাদলের আত্মীয় পরিচয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। মিজান, সাত খুনের মামলার ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি নূর হোসেনের তথাকথিত খালাতো ভাই হিসেবে পরিচিত।
এই চক্রটি বিএনপির স্থানীয় নেতাদের নাম ব্যবহার করে সাধারণ চালকদের জিম্মি করে রেখেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক মালিক জানান, ৫ই আগস্টের পর আমরা শান্তিতে ছিলাম। কিন্তু এখন আবার সেই পুরনো মুখগুলোই নতুন পরিচয়ে এসে আমাদের কাছ থেকে জোর করে টাকা নিচ্ছে। প্রতিবাদ করলে স্ট্যান্ড থেকে গাড়ি বের করে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। সাধারণ মালিক ও চালকদের দাবি, রাজনৈতিক পরিচয় যাই হোক না কেন, চাঁদাবাজদের হাত থেকে এই গুরুত্বপূর্ণ রেন্ট-এ-কার স্ট্যান্ডটিকে মুক্ত করা হোক। তারা অবিলম্বে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন যাতে গত ৫ই আগস্টের পর গঠিত মালিকদের নিয়মিত কমিটি পুনরায় নির্বিঘ্নে কাজ করতে পারে।
মতামত