সকাল ৮টা ৫৫ মিনিটে প্রতিমন্ত্রী সিদ্ধিরগঞ্জ ইউনিয়ন ভূমি অফিস কার্যালয়ে পৌঁছান। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী সকাল ৯টায় অফিস খোলার কথা থাকলেও তিনি দীর্ঘ ৩০ মিনিট কার্যালয়ের সামনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করেন। এ সময় কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারীকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। পরে সকাল ৯টা ২৫ মিনিটে একজন কর্মচারী এসে তালা খুললে তিনি ভেতরে প্রবেশ করেন।
পরিদর্শনকালে দেখা যায়, ভূমি অফিসের নায়েব মো. নাছির উদ্দিন সকাল পৌনে ১০টায় এবং সহকারী নায়েব ওমর ফারুক সকাল ১০টায় কর্মস্থলে উপস্থিত হন। নির্ধারিত সময়ের অনেক পরে অফিসে আসায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি তাৎক্ষণিকভাবে তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। প্রতিমন্ত্রীর উপস্থিতির খবর পেয়ে স্থানীয় সেবাগ্রহীতারা কার্যালয়ে ভিড় করেন এবং দীর্ঘদিনের অনিয়ম, হয়রানি ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলে ধরেন। তাদের কথা ধৈর্য সহকারে শোনেন এবং দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দেন তিনি।
সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, সারা বাংলাদেশের ভূমি অফিসগুলো নিয়ে নানা প্রশ্ন ও সেবাগ্রহীতাদের অনেক অভিযোগ রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে আমরা এসব অনিয়ম খতিয়ে দেখছি। কোনোভাবেই জনসেবায় গাফিলতি সহ্য করা হবে না।
অফিস খোলার পর প্রতিমন্ত্রী বিভিন্ন নথিপত্র ও রেকর্ড রুম পরিদর্শন করেন। তিনি উপস্থিত কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ভূমি অফিসকে দুর্নীতিমুক্ত ও জনবান্ধব করতে এ ধরনের আকস্মিক তদারকি দেশব্যাপী অব্যাহত থাকবে।
মতামত