সারাদেশ

মহাতীর্থ লাঙ্গলবন্দ পূর্ণস্নান উৎসব উপলক্ষ্যে জেলা প্রশাসনের প্রস্তুতিমূলক সভা

প্রিন্ট
মহাতীর্থ লাঙ্গলবন্দ পূর্ণস্নান উৎসব উপলক্ষ্যে জেলা প্রশাসনের প্রস্তুতিমূলক সভা

প্রকাশিত : ৪ মার্চ ২০২৬, রাত ১১:৫৬




সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম ধর্মীয় অনুষ্ঠান মহাতীর্থ লাঙ্গলবন্দ পূর্ণস্নান উৎসব সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এক প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

‎‎বুধবার (৪ মার্চ) সকাল ১১টায় নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

‎‎সভায় সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রায়হান কবির বলেন, প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরও যথাযোগ্য মর্যাদায় আগামী ২৫মার্চ লাঙ্গলবন্দ পূর্ণস্নান উৎসব অনুষ্ঠিত হবে। উৎসবকে ঘিরে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে সার্বিক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে।

‎‎তিনি জানান, পূর্ণার্থীদের নিরাপত্তা ও সার্বিক সুবিধা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পর্যাপ্ত সদস্য মোতায়েন থাকবে। পাশাপাশি ফায়ার সার্ভিসের প্রস্তুতি, জরুরি চিকিৎসাসেবা, বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ, সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে সার্বক্ষণিক মনিটরিংসহ প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

‎‎নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রায়হান কবিরের সভাপতিত্বে সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন, নারায়ণগঞ্জ-৫ (সদর-বন্দর) আসনের সংসদ সদস্য এড. আবুল কালাম, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক এড. সাখাওয়াত হোসেন খান, জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সী, জেলা সিভিল সার্জন ডা. এ এফ এম মশিউর রহমান, নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব এড. আবু আল ইউসুফ খান টিপু, যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল কাউসার আশা, জেলা কমান্ড্যান্ট আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা কানিজ ফারজানা শান্তা, মহাতীর্থ লাঙ্গলবন্দ অষ্টমী স্নান উদযাপন পরিষদের সভাপতি সরোজ কুমার সাহা ও সাধারণ সম্পাদক তাপস কর্মকার, জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি শংকর কুমার দে ও সাধারণ সম্পাদক শিখণ সরকার শিপন, মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি বিষ্ণপদ সাহা ও সাধারণ সম্পাদক সুশীল কুমার দাস, মহাতীর্থ লাঙ্গলবন্দ স্নান উদযাপন ফ্রন্টের আহ্বায়ক অপর্ণা রায়, সদস্য সচিব জয়কে রায় চৌধুরী বাপ্পি, উপদেষ্টা ননী গোপাল সাহা, মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদের সহ-সভাপতি সাংবাদিক উত্তম সাহা, এড. রাজিব মন্ডলসহ সংশ্লিষ্ট আয়োজক কমিটির নেতৃবৃন্দ ও সরকারি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

‎সভায় উপস্থিত বক্তারা সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে উৎসবটি শান্তিপূর্ণ, সুশৃঙ্খল ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে সম্পন্ন করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।