বেলা ১২টায় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী হিসেবে জনগণের সঙ্গে যে ধরনের সম্পৃক্ততা থাকা দরকার, তা এখনো গড়ে ওঠেনি। প্রথাগত আমলাতান্ত্রিক মনোভাব এখনো বিরাজমান।
জানা গেছে, প্রতিমন্ত্রী সকাল ৮টা ৫৫ মিনিটে কার্যালয়ে পৌঁছালেও নির্ধারিত সময় ৯টায় অফিস খোলেনি। প্রায় ৩০ মিনিট পর তালা খোলা হয়। একজন কর্মকর্তা পৌনে ১০টায় এবং অন্যজন ১০টার পর কর্মস্থলে উপস্থিত হন। এই অনিয়মের বিষয়ে যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
ব্যারিস্টার কায়সার কামাল আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান সরকার দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। সারা দেশের ভূমি অফিসগুলো নিয়ে জনমনে নানা অভিযোগ রয়েছে। বিশেষ করে কর্মকর্তা ও সেবাগ্রহীতাদের মধ্যে বড় ধরনের দূরত্ব লক্ষ্য করা যাচ্ছে। আমরা এই গ্যাপ দূর করতে কাজ করছি।
আকস্মিক পরিদর্শন প্রসঙ্গে তিনি জানান, এই কার্যক্রম শুধু সিদ্ধিরগঞ্জেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে দেশের যেকোনো প্রান্তে যেকোনো অফিসে এ ধরনের সারপ্রাইজ ভিজিট অব্যাহত থাকবে।
মতামত