আটকরা হলেন- রেললাইনের ফরুক মিয়ার মেয়ে রুমা (৩৫), বিল্লালের স্ত্রী অর্পণা ইসলাম (২৩), অপু মিয়ার স্ত্রী তাসলিমা (৪০), মৃত হাকিম আলীর মেয়ে হাসিনা বেগম (৩৮), আমলাপাড়া এলাকার হোসেন আহম্মদ মিয়ার ছেলে রাব্বি (২২), মৃত মতিন মিয়ার ছেলে হাসান (২৬), ছিনতাইকারী মৃত আমির হোসেনের ছেলে মুন্না (২২) ও সুজন (২৫), খানপুর সরদারবাড়ি এলাকার সিরাজ মিয়ার ছেলে সাকিল (২২), সানাউল্লাহর ছেলে সিরাজুল ইসলাম (২৫)।
এছাড়া সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করা হয়েছে মিঠু সাহার ছেলে সুমন (৩৫), সুকুমার চন্দ্র দাসের ছেলে রতন চন্দ্র দাস (৩২), আবু কালামের ছেলে বিল্লাল হোসেন (২৮), বাবুলের ছেলে রাজু (৪০), মিশনপাড়া এলাকার সোনা মিয়ার ছেলে রিয়াজ (২৫), সফর চাঁনের ছেলে সোহান (২২) এবং সবুজ মিয়ার ছেলে মাসুদ (২৮)।
এ বিষয়ে সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল হালিম বলেন, বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি), ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি এবং নারায়ণগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সীর নির্দেশনা ও তত্ত্বাবধানে এ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, পবিত্র রমজান মাস ও আসন্ন ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে মাদক ব্যবসায়ী, মাদকসেবী, চোর ও ছিনতাইকারীদের বিরুদ্ধে এই বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে নারী মাদক ব্যবসায়ীসহ মোট ১৭ জনকে আটক করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে মাদকদ্রব্য ও ছিনতাইয়ের কিছু সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। আটককৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ওসি আরও বলেন, আসন্ন ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে জনগণ যাতে নিরাপদ ও উৎসবমুখর পরিবেশে চলাচল করতে পারে, সে লক্ষ্যে সদর মডেল থানা কঠোর অবস্থানে থাকবে। মাদক ব্যবসা ও অপরাধ থেকে মানুষকে ফিরিয়ে আনতে কর্মসংস্থানের মাধ্যমে জেলা পুলিশ সুপার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
মতামত