অভিযান পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট খন্দকার শমিত রাজা। এতে সহায়তা করেন বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তা সুরাইয়া সাইদুন নাহার এবং র্যাব-১১-এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক মো. শামসুর রহমানসহ জেলা পুলিশের সদস্যরা।
আদালত সূত্রে জানা যায়, কারখানাটিতে বিএসটিআই লাইসেন্স ছাড়াই সেমাই, ড্রিংকস ও এডিবল জেলসহ বিভিন্ন খাদ্যপণ্য উৎপাদন ও মোড়কজাত করা হচ্ছিল। এছাড়া অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে মেঝেতে খাদ্যপণ্য সংরক্ষণ, পোড়া তেলের ব্যবহার এবং মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য মজুদের প্রমাণ পাওয়া যায়।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট খন্দকার শমিত রাজা জানান, শ্রমিকরা স্বাস্থ্যসুরক্ষা সামগ্রী ছাড়াই খাবার প্রস্তুত করছিল। নিরাপদ খাদ্য আইনের আওতায় অপরাধ স্বীকার করায় কারখানা কর্তৃপক্ষকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয় এবং তা তাৎক্ষণিক আদায় করা হয়। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।
মতামত