স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মিয়াপুর হাটের (হাট পেরিফেরি) খাস খতিয়ানভুক্ত জায়গায় অবৈধভাবে স্থাপনা নির্মাণ করছিলেন আবুল কাশেম। বিষয়টি জানাজানি হলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ঘটনাস্থলে পৌঁছে কাজ বন্ধের নির্দেশ দেন। তবে প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও কাজ চলমান রাখার অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয়রা।
অভিযুক্ত আবুল কাশেম কাশু দাবি করেন, ক্রয়সূত্রে ওই স্থানে ৬ শতাংশ জায়গা আছে। জায়গাটি নিয়ে মামলাও চলছে। ইউএনও কাজ বন্ধ রাখতে বলেছেন, আমি নথিপত্র নিয়ে তার সঙ্গে দেখা করব।
এ বিষয়ে সাঁথিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিজু তামান্না জানান, প্রাথমিকভাবে জায়গাটি খাস খতিয়ানের বলে মনে হচ্ছে। কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তাকে প্রয়োজনীয় নথিপত্র নিয়ে সোমবার কার্যালয়ে আসার জন্য বলা হয়েছে। জায়গার বৈধতা না থাকলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মতামত