নিহতের স্বজনরা জানান, বিকেলে অস্ত্রোপচারের সময় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণসহ নানা জটিলতা দেখা দেয়। ভুল চিকিৎসায় সমেজার মৃত্যু হলেও ক্লিনিক মালিক বেলাল হোসেন ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে তড়িঘড়ি করে একটি মাইক্রোবাসে ডাক্তার বকুল হোসেনসহ রোগী ও স্বজনদের দিনাজপুরে পাঠিয়ে দেন। বর্তমানে লাশ দিনাজপুর জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশনে রয়েছে বলে জানা গেছে।
ঘটনার পর উত্তেজিত স্বজন ও এলাকাবাসী ক্লিনিকের সামনে বিক্ষোভ শুরু করলে সেখানে পুলিশ মোতায়েন করা হয়। অবস্থা বেগতিক দেখে ক্লিনিক মালিক বেলাল হোসেন ও সংশ্লিষ্ট স্টাফরা পালিয়ে যান। অভিযোগ রয়েছে, মালিকপক্ষ ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে প্রভাবশালী মহলের মাধ্যমে দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছে।
বীরগঞ্জ থানা পুলিশ জানায়, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মতামত