এলাকাবাসী জানায়, স্থানীয় প্রভাবশালী সুরজিতের একটি প্রজেক্ট দেখাশোনার আড়ালে সেখানে দীর্ঘদিন ধরে নারী ব্যবসা, মাদক ও জুয়ার আসর বসিয়ে আসছিলেন ওয়াজকরুনী। বৃহস্পতিবার বিকেলে দলবলসহ অনৈতিক কাজে লিপ্ত থাকা অবস্থায় পুলিশ ও এলাকাবাসী সেখানে হানা দেয়। এসময় অভিযানের উপস্থিতি টের পেয়ে কাপড় ফেলেই দৌড়ে পালিয়ে যান ওয়াজকরুনী ও তার সহযোগীরা। স্থানীয়দের দাবি, ঘটনাস্থল থেকে এক নারীসহ কিছু দেশীয় অস্ত্র ও আলামত উদ্ধার করা হয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ওয়াজকরুনীর বিরুদ্ধে এলাকায় ডাকাতি, অটো রিকশা চুরি, মাদক ব্যবসা ও নারী নির্যাতনের অসংখ্য অভিযোগ রয়েছে। তিনি বিভিন্ন সময় রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছেন। তার ভয়ে সাধারণ মানুষ মুখ খুলতে সাহস পায় না, কেউ প্রতিবাদ করলেই তাকে প্রাণনাশের হুমকি ও মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করা হয়।
স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ওয়াজকরুনীর অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে এলাকার যুবসমাজ ধ্বংসের পথে। তার কারণে সামাজিক পরিবেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। দীর্ঘদিনের আতঙ্ক থেকে মুক্তি পেতে তারা দ্রুত এই সন্ত্রাসীকে গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও সংসদ সদস্যের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছে চরকামালদিসহ আশপাশের গ্রামবাসী। অভিযুক্তদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানা গেছে।
মতামত