র্যাব জানায়, পূর্ববিরোধের জেরে গত ২৯ মার্চ সন্ধ্যায় ফতুল্লার ইসদাইর রেললাইন এলাকা থেকে শুভকে অপহরণ করা হয়। ঘটনার দিন লাল শুভ ফোনে ডেকে নিয়ে সহযোগীদের সহযোগিতায় তাকে মারধর করে অটোরিকশায় করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়। এর দুই দিন পর ৩১ মার্চ রূপগঞ্জের কাঞ্চন ব্রিজের নিচে শীতলক্ষ্যা নদী থেকে অজ্ঞাত পরিচয় হিসেবে শুভর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিখোঁজের সাত দিন পর পরিবারের সদস্যরা তার মরদেহ শনাক্ত করেন।
এ ঘটনায় শুভর মা মাকসুদা বেগম বাদী হয়ে ২ এপ্রিল ফতুল্লা মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক সাখাওয়াত ইসলাম রানাকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত লাল শুভসহ আরও ১০ জন নামীয় ও ১২ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়।
র্যাব-১১ জানিয়েছে, ঘটনার পর থেকেই আসামিরা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে ছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়িয়ে লাল শুভকে নীলফামারী থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত বাকি আসামিদের ধরতেও অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতকে ফতুল্লা মডেল থানায় সোপর্দ করার প্রক্রিয়া চলছে।
মতামত