স্থানীয়দের দাবি, মৃত কাজী মাহবুবের পরিবারের চার ভাই-বোন এই অপরাধ সিন্ডিকেটের মূল হোতা। তাদের মধ্যে দুই বোন মিতু ও ছন্দার বিরুদ্ধে প্রেমের ফাঁদে ফেলে বিত্তবান ও প্রবাসীদের ব্ল্যাকমেইল করে লাখ লাখ টাকা আদায়ের গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। তারা টার্গেট করা ব্যক্তিকে নিজ বাসায় ডেকে এনে বা ভিডিও কলে আপত্তিকর রেকর্ড তৈরি করে ৫ থেকে ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত দাবি করে। টাকা দিতে অস্বীকার করলে কথিত আইনজীবী বা অসাধু চক্রের সহায়তায় নারী নির্যাতন ও ধর্ষণ মামলার হুমকি দিয়ে সাধারণ মানুষকে হয়রানি করে।
অভিযোগ রয়েছে, এই পরিবারের ভাই শশী ও কারাগারে থাকা পাপ্পু এলাকার চিহ্নিত মাদক কারবারি। তাদের সিন্ডিকেটটি তল্লা ও হাজীগঞ্জ এলাকায় পাইকারি ফেনসিডিল, ইয়াবা ও গাঁজার ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করে। এর আগে একাধিকবার গ্রেফতার হলেও জামিনে বেরিয়ে তারা পুনরায় একই অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, এই চক্রের বিরুদ্ধে কেউ কথা বললে তাদের ওপর হামলা বা পুলিশি হয়রানির ভয় দেখানো হয়। অতিষ্ঠ স্থানীয় বাসিন্দারা এই ভয়ংকর সিন্ডিকেট ও তাদের নেপথ্য পৃষ্ঠপোষকদের আইনের আওতায় আনতে জেলা প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কঠোর অভিযান দাবি করেছেন।
মতামত