অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচকের বক্তব্যে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ মোশারেফ হোসেন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। তিনি বলেন, বিগত ১০ বছরের শিক্ষা জীবনের কষ্টার্জিত অর্জনের প্রতিফলন ঘটবে এই পরীক্ষায়। বর্তমান সময়ের প্রতিযোগিতামূলক শিক্ষাব্যবস্থায় পরীক্ষা আগের চেয়ে অনেক বেশি চ্যালেঞ্জিং। তাই প্রতিটি মুহূর্তকে কাজে লাগিয়ে তোমাদের মেধার স্বাক্ষর রাখতে হবে।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির অনন্য বৈশিষ্ট্য তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, আমরা কেবল পুঁথিগত বিদ্যা নয়, বরং সাধারণ শিক্ষার সঙ্গে ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষার সমন্বয় ঘটিয়েছি। বিজ্ঞ আলেমদের মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে যাতে শিক্ষার্থীরা ইহকাল ও পরকাল উভয় ক্ষেত্রেই সফল হতে পারে। আমাদের লক্ষ্য এমন এক প্রজন্ম তৈরি করা, যারা সুশিক্ষিত হওয়ার পাশাপাশি আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে উঠবে। এমনকি প্রথম শ্রেণি থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত আমাদের এখানে যে ধর্মীয় বুনিয়াদ দেওয়া হয়, তাতে একজন ছাত্র নিজ বাবা-মায়ের জানাজা পড়ানোর সক্ষমতাও অর্জন করে।
অনুষ্ঠানে বিদায়ী শিক্ষার্থীদের পক্ষে আবেগঘন স্মৃতিচারণ করেন শিক্ষার্থী নুসরাত ও চৈতি। শিক্ষকদের পক্ষ থেকে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখেন শিক্ষিকা আকলিমা আক্তার আঁখি। মাহমুদুল হাসান রাসেলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শামসুল হক, মোঃ ইসমাইল হোসেন, মোঃ জাবেদ হোসেন ও গাজী মাজারুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে পরীক্ষার্থীদের সার্বিক সাফল্য ও কল্যাণ কামনায় দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করা হয়। এ সময় বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা, অভিভাবক এবং শিক্ষার্থীরা এক ভাবগম্ভীর পরিবেশে বিদায়ি সংবর্ধনায় অংশ নেন।
মতামত