জানা গেছে, বন্দরের নবীগঞ্জ বাস স্ট্যান্ড সংলগ্ন রেলওয়ের কিছু জমি সোহেল ও নাজির হোসেন নামে দুই ব্যক্তি পৃথকভাবে কৃষি লিজ গ্রহণ করেন। জমিটির দখল নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ ও সংঘর্ষ চলছে। এ বিষয়ে ভুক্তভোগী সোহেল বাদী হয়ে হাইকোর্টে একটি রিট পিটিশন (নং-১৫১১৭) দায়ের করেন এবং দুদকে অনিয়মের অভিযোগ জানান।
অভিযোগ উঠেছে, হাইকোর্টের শুনানি চলমান থাকা সত্ত্বেও নাজির হোসেন ও তার সহযোগীরা ঈদের ছুটির সুযোগে কৃষি লিজ নেওয়া জমিতে অবৈধভাবে বাণিজ্যিক দোকানপাট নির্মাণ করছেন। স্থানীয়দের দাবি, রেলওয়ের বিভাগীয় ভূমি কর্মকর্তা শিমুল কুমার সাহা ও কানুনগোসহ কয়েকজন অসাধু কর্মকর্তাকে ম্যানেজ করেই এই কাজ চলছে।
ইতিমধ্যেই দুদকের উপ-পরিচালক সাবিকুন নাহার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করেছেন বলে জানা গেছে।
এ বিষয়ে রেলওয়ের বিভাগীয় ভূমি কর্মকর্তা শিমুল কুমার সাহা জানান, কৃষি লিজের জমিতে বাণিজ্যিক স্থাপনা করার কোনো সুযোগ নেই। কেউ আইন অমান্য করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ম্যানেজ হওয়ার বিষয়টি ভিত্তিহীন।
মতামত