অভিযোগ রয়েছে, গত ৫ আগস্টের পটপরিবর্তনের পর জিওধরা এলাকার যুবলীগ নেতা দ্বীন ইসলাম আইনি ব্যবস্থা ও জনরোষ থেকে বাঁচতে বিএনপি নেতা রানার আশ্রয় নেন। বর্তমানে তিনি সাবদী এলাকায় দুটি ড্রেজার নিয়ন্ত্রণ করছেন এবং প্রতি ফুট বালু ভরাট থেকে নির্দিষ্ট হারে টাকা আদায় করছেন। ড্রেজারের পাইপ রাস্তার ওপর বসানোর ফলে সাধারণ মানুষের যাতায়াতে বিঘ্ন ঘটছে এবং পরিবেশের ক্ষতি হচ্ছে।
স্থানীয়রা আরও জানান, দ্বীন ইসলাম এলাকায় প্রকাশ্যে অস্ত্র নিয়ে মহড়া দিয়ে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করছেন। গত ৫ আগস্টের পর এক যুবককে প্রকাশ্যে কুপিয়ে জখম করার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে সাধারণ মানুষ প্রতিবাদ করার সাহস পাচ্ছে না। এ বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
মতামত