জেলার প্রতিটি থানা ও ফাঁড়ির কার্যক্রম সরাসরি তদারকি করছেন এসপি মিজানুর রহমান। বিট পুলিশিং ও কমিউনিটি পুলিশিং জোরদার করার মাধ্যমে পুলিশের সঙ্গে জনগণের দূরত্ব কমিয়ে এনেছেন তিনি। বিশেষ করে মাদক নির্মূল, চুরি-ডাকাতি রোধ এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমনে তার কঠোর অবস্থান জেলায় অপরাধের হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে এনেছে।
২০২৬ সালের শুরু থেকে নারায়ণগঞ্জের পাঁচটি বৃহৎ আয়োজন জাতীয় সংসদ ও গণভোট নির্বাচন, পবিত্র ঈদুল ফিতর, লাঙ্গলবন্দ স্নান উৎসব, মহান স্বাধীনতা দিবস এবং পহেলা বৈশাখ সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। তার দক্ষ পরিকল্পনা ও তদারকিতে কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। পেশাদারিত্বের সাথে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে কঠোর অবস্থানে ছিল জেলা পুলিশ।
ঈদুল ফিতরে কয়েক হাজার মসজিদে নিরাপত্তা এবং মহাসড়কে যানজট নিরসনে প্রায় ৬০০ পুলিশ সদস্যের নিরলস পরিশশ্রম নির্বিঘ্ন ছিল সাধারণ মানুষের ঈদযাত্রা। ব্রহ্মপুত্র নদের ২৪টি ঘাটে প্রায় ১১০০ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করে লাখো পুণ্যার্থীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়।
মাদককে সকল অপরাধের মূল হিসেবে চিহ্নিত করে জেলাকে মাদকমুক্ত করতে বিশেষ অভিযান অব্যাহত রেখেছেন তিনি। এছাড়া বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ এবং পারিবারিক সহিংসতা নিরসনে ভুক্তভোগীদের আইনি সহায়তা দিতে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছেন এই পুলিশ কর্মকর্তা।
সংশ্লিষ্টদের মতে, জেলা পুলিশের এমন সমন্বিত পরিকল্পনা ও এসপি মিজানুর রহমান মুন্সীর দূরদর্শী নেতৃত্বের ফলে নারায়ণগঞ্জে বর্তমানে নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বিরাজ করছে। তার এই কর্মতৎপরতা জেলাজুড়ে আস্থার পরিবেশ তৈরি করেছে এবং তিনি সর্বমহলে প্রশংসিত হচ্ছেন।
মতামত