ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, তাজুল ইসলাম সিকদার সাজনু ও ওয়াসিম আকরামের নেতৃত্বে একটি বিশাল বাহিনী প্রতিদিন প্রতিটি লেগুনা থেকে ১৩০ টাকা এবং মাসিক ভিত্তিতে বড় অঙ্কের টাকা আদায় করছে। হাইওয়ে ও থানা পুলিশের নাম ভাঙিয়ে গাড়িপ্রতি ১ হাজার টাকা মাসোহারা নেওয়ারও অভিযোগ রয়েছে। মাসে প্রায় ৬ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে এই চক্রটি। সাজনু সাবেক সংসদ সদস্য শামীম ওসমানের ক্যাডার হিসেবে পরিচিত থাকলেও বর্তমানে ভোল পাল্টিয়ে বিএনপির নাম ব্যবহার করছেন।
এ বিষয়ে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ স্পষ্ট জানিয়েছেন, চালক দল নামে বিএনপির কোনো অঙ্গসংগঠন নেই। তিনি বলেন, বিএনপির নাম ব্যবহার করে চাঁদাবাজি কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না। আমরা প্রশাসনকে অনুরোধ করছি এই ভুঁইফোঁড় সংগঠনের চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে।
এই চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে শিমরাইল এক্সপ্রেস লিমিটেডের এমডি গত ১১ এপ্রিল সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগে বলা হয়, অভিযুক্তরা অস্ত্রের মুখে মালিকদের নিয়োজিত কর্মচারীকে অপহরণ ও মারধর করে চাঁদাবাজির রাজত্ব কায়েম করেছে। তবে অভিযোগের ৭ দিন পার হলেও পুলিশ কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন পরিবহন মালিকরা।
সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ এমদাদুল হক জানান, বিষয়টি তার জানা নেই, তবে দ্রুত খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সচেতন মহলের মতে, এই চক্রের কারণে দলের সুনাম ক্ষুন্ন হচ্ছে। দ্রুত এদের আইনের আওতায় না আনলে এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা বিঘ্নিত হওয়ার শঙ্কা রয়েছে।
মতামত