বিক্ষুব্ধ শ্রমিকদের দাবি, কারখানা কর্তৃপক্ষ নিয়মিত বেতন পরিশোধ না করে নানা টালবাহানা করছে। জান্নাত নামে এক অন্তঃসত্ত্বা নারী শ্রমিক অভিযোগ করেন, গর্ভবতী হওয়া সত্ত্বেও আমাকে ছুটি না দিয়ে রোজার মাসেও নাইট ডিউটি করানো হয়েছে। এক মাসের বেতন পাওনা থাকলেও মালিকপক্ষ তা দিচ্ছে না। আরিফ নামে অন্য এক শ্রমিক জানান, বেতন চাইতে গেলে মালিকপক্ষ থেকে বলা হয়, নিয়ম অনুযায়ী পদত্যাগ না করে অন্য কারখানায় যোগ দেওয়ায় কোনো বেতন দেওয়া হবে না।
কারখানার মালিক আবির ও আরিফ হোসেন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, প্রায় ২০-২৫ জন শ্রমিক কোনো পূর্ব ঘোষণা বা পদত্যাগপত্র ছাড়াই হঠাৎ অন্য কারখানায় চলে গেছেন। এতে আমাদের উৎপাদন ও শিপমেন্ট মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। আমাদের বিপুল আর্থিক ক্ষতি হয়েছে, যার দায় এই শ্রমিকদেরই। তাদের দাবি, কেউ কেউ ১৫-২০ দিনের বেতন পাওনা থাকতে পারেন, কিন্তু নিয়ম না মানায় এই জটিলতা তৈরি হয়েছে।
সন্ধ্যায় শ্রমিকরা কারখানার সামনে অবস্থান নিলে এলাকায় উত্তজনা ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। কারখানা কর্তৃপক্ষ ও শ্রমিক প্রতিনিধিদের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা চলছে বলে জানা গেছে।
মতামত