মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) বিকেলে শুরু হওয়া এই মেলার মূল আকর্ষণ ছিল স্থানীয় শিল্পীদের তৈরি বাঁশ ও কাগজের নান্দনিক শিল্পকর্ম। বাঁশ-কাগজে গড়া হাতি, হেলিকপ্টার, নৌকা, পালকি, গরু ও জিরাফের মতো বিচিত্র সব প্রতিকৃতি দেখে মুগ্ধ দর্শনার্থীরা। শুধু প্রদর্শনী নয়, এসব শিল্পকর্ম যান্ত্রিকভাবে চালিয়ে প্রদর্শন করায় মেলার আনন্দ আরও বহুগুণ বেড়ে যায়।
মেলায় আসা দর্শনার্থী মানষ চন্দ্র ও প্রিয়াঙ্কা রায় জানান, বিলুপ্তপ্রায় এসব লোকজ শিল্প আধুনিকতার যুগেও টিকে আছে দেখে তারা অভিভূত। দূর-দূরান্ত থেকে আসা হাজারো মানুষের উপস্থিতিতে মেলা প্রাঙ্গণে তিল ধারণের ঠাঁই ছিল না।
মেলা কমিটির সভাপতি বাবু চন্দ্র বর্মণ বলেন, এটি আমাদের ১০৫তম আসর। আমাদের মূল লক্ষ্য গ্রামবাংলার হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্যকে সংরক্ষণ করা এবং নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়া।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও বিশিষ্টজনেরা মনে করেন, এ ধরনের আয়োজন শুধু বিনোদন নয়, বরং আমাদের শিকড় ও সংস্কৃতিকে টিকিয়ে রাখার একটি বড় মাধ্যম। শত বছরের পুরনো এই ঐতিহ্যবাহী মেলাটি গ্রামীণ জীবনে এক ভিন্নমাত্রা যোগ করেছে।
মতামত