অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালে মালয়েশিয়ায় থাকাকালে ফেসবুকের মাধ্যমে বুশরার সঙ্গে মাহফুজের পরিচয় হয়। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে এবং বুশরা তাকে বিয়ের প্রস্তাব দেন। এরপর পড়াশোনা, চিকিৎসা ও পারিবারিক সমস্যার কথা বলে বিভিন্ন সময়ে ব্যাংক ও মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে মাহফুজের কাছ থেকে ৯ লাখ টাকা হাতিয়ে নেন ওই নারী।
মাহফুজ আলম জানান, গত ১২ জানুয়ারি তিনি দেশে ফিরে বিয়ের বিষয়ে কথা বলতে চাইলে বুশরা ও তার পরিবার যোগাযোগ এড়িয়ে চলতে থাকে। গত ৬ এপ্রিল তিনি বুশরার স্থায়ী ঠিকানা রূপগঞ্জের মাহনা এলাকায় গেলে তাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয়।
ভুক্তভোগী মাহফুজ বলেন, আমার কাছে ব্যাংক লেনদেনের রসিদ ও সব কথোপকথনের প্রমাণ আছে। এটি একটি সুপরিকল্পিত প্রতারণা। আমি আমার কষ্টার্জিত টাকা ফেরত ও বিচার চাই।
রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এএইচএম সালাউদ্দিন জানান, ভুক্তভোগীর অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে। লেনদেনের প্রমাণাদি ও ডিজিটাল তথ্যগুলো যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মতামত