সরেজমিনে দেখা গেছে, দক্ষিণ সস্তাপুর, গাবতলা মোড়, কোতয়ালের বাগ, লামারবাগ ও লালপুরসহ বেশ কিছু এলাকায় ব্যাপক জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। অনেক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বাসাবাড়ির নিচতলায় ড্রেনের ময়লা পানি ঢুকে পড়েছে। দক্ষিণ সস্তাপুরের বাসিন্দা সোহাগ মিয়া ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ভোর থেকে বৃষ্টিতে হাঁটু পানি জমে গেছে। কাজল সুপার মার্কেটের সামনে বারো মাসই পানি থাকে। দেখার কেউ নেই।
সস্তাপুর তিন রাস্তার মোড়ে জলাবদ্ধতার কারণে ইজিবাইক, মোটরসাইকেলসহ ছোট যানবাহন চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে। যানবাহন বিকল হয়ে পড়ায় অনেককে নোংরা পানি মাড়িয়ে পায়ে হেঁটে গন্তব্যে পৌঁছাতে দেখা গেছে। গাবতলা এলাকার বাসিন্দা সুলতান জানান, ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও খাল নিষ্কাশন না হওয়ায় একটু বৃষ্টিতেই রাস্তা ডুবে যায় এবং ময়লা পানি ঘরে ঢুকে পড়ে।
ডিএনডির জলাবদ্ধতা নিরসনে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে মেগা প্রকল্প নেওয়া হয়েছিল। দুই দফায় আনুমানিক ১৩০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হলেও বাস্তবে তার সুফল পাচ্ছে না ডিএনডিবাসী। অভিযোগ উঠেছে, নামমাত্র কাজ করে প্রকল্পের দায় সারা হয়েছে, যার ফলে কোটি কোটি টাকা ব্যয়ের পরও দুর্ভোগ কমেনি।
এলাকাবাসীর দাবি, বর্ষা পুরোপুরি শুরু হওয়ার আগেই কার্যকর ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও খালগুলো দখলমুক্ত করে পানি নিষ্কাশনের দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করবে।
মতামত