পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শহিদুল্লাহ মিয়া তাঁর নিজস্ব পুকুরে মৎস্য খামার পরিচালনা করতেন। খামারের পাশে স্থানীয় মাদক কারবারিরা নিয়মিত আড্ডা ও কেনাবেচা করায় তিনি বাধা দিতেন। এর জেরে গত ১১ এপ্রিল দুপুরে একদল মাদক কারবারি দেশীয় অস্ত্র ও হাতুড়ি নিয়ে খামারে ঢুকে তাঁর ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলাকারীরা তাঁকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর জখম করে এবং তাঁর কাছে থাকা নগদ ২০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়।
আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং পরে রামপুরার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে দীর্ঘ ১৮ দিন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে অবশেষে বুধবার বিকেলে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
এ ঘটনায় গত ১৩ এপ্রিল নিহতের মেয়েজামাই মোজাম্মেল হক বাদী হয়ে ৪ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ৮-১০ জনকে আসামি করে রূপগঞ্জ থানায় মামলা করেন।
রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এএইচএম সালাউদ্দিন জানান, হামলার ঘটনায় দায়েরকৃত মামলাটি এখন হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হবে। আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক দল কাজ করছে।
মতামত