বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সন্ধ্যায় চাষাড়া হকার মার্কেট সরজমিনে পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। পরিদর্শনকালে প্রশাসক মার্কেটের বিভিন্ন দোকানের ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বলেন। তবে অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য ৬৭২ জন হকারকে পুনর্বাসন করা হলেও বর্তমানে সেখানে কোনো মূল বরাদ্দগ্রহীতা নেই। বরাদ্দপ্রাপ্তরা নিয়ম বহির্ভূতভাবে দোকান বিক্রি করেছেন অথবা ভাড়া দিয়ে নিজেরা আবারও ফুটপাতে ব্যবসা করছেন। ৬টি দোকান একত্রিত করে বড় দোকান বানিয়ে ব্যবসা পরিচালনার নজিরও পাওয়া গেছে।
ব্যবসায়ীদের সাথে আলাপকালে তারা স্বীকার করেন যে, তারা কেউ মূল হকার নন, বরং ভাড়াটিয়া হিসেবে ব্যবসা করছেন। এতে বিস্ময় প্রকাশ করে সাখাওয়াত হোসেন খান বলেন, এটি সিটি কর্পোরেশনের জায়গা। আইনত তারা দোকান বিক্রি বা ভাড়া দিতে পারে না। যারা বরাদ্দ পাওয়ার পরও ফুটপাতে বসার জন্য আন্দোলন করছে, তাদের এসব অবৈধ দোকান ভেঙে দেওয়া হবে। আমরা নথিপত্র যাচাই করে দখলদারদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেব।
তিনি আরও স্পষ্ট করেন যে, এই মার্কেটটি শুধুমাত্র হকারদের পুনর্বাসনের জন্য করা হয়েছিল। যদি প্রকৃত হকাররা এখানে না থাকে, তবে এই মার্কেটের বর্তমান কাঠামো রাখার কোনো যৌক্তিকতা নেই। খুব শীঘ্রই প্রকৃত হকারদের তালিকা করে তাদের নতুন করে পুনর্বাসনের উদ্যোগ নেবে সিটি কর্পোরেশন।
মতামত