ভুক্তভোগী জামান মোল্লা জানান, গত সোমবার (৪ মে) ১নং ওয়ার্ডের আল-আমিনবাগ এলাকায় তিনি ভবন নির্মাণ করছিলেন। এসময় নুরুদ্দিনের নেতৃত্বে বিল্লাল, পারভেজসহ ৪-৫ জন সন্ত্রাসী তার কাছে মোটা অংকের চাঁদা দাবি করে। চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় তারা কাজ বন্ধ করে দেয়।
পরে জামান মোল্লা স্থানীয় যুবদল নেতা সহিদুল ইসলামের শরণাপন্ন হলে তিনি তাকে কাজ চালিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন এবং কোনো সমস্যা হলে ৯৯৯-এ কল করে পুলিশের সহায়তা নিতে বলেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ওইদিন বিকালেই নুরুদ্দিন ও তার সহযোগীরা সহিদুল ইসলামের অফিসে ঢুকে তার ওপর হামলা চালায় এবং তাকে হত্যা করে লাশ গুম করার হুমকি দেয়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, গত ৫ই আগস্টের পর থেকে নুরুদ্দিন সাবেক এক এমপির ছেলের নাম ভাঙিয়ে এলাকায় চাঁদাবাজি ও ভূমিদস্যুতা চালিয়ে আসছে। নতুন কোনো ভবন নির্মাণ করতে গেলেই নুরুদ্দিন বাহিনীকে চাঁদা দিতে হয়। তার অত্যাচারে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী অবিলম্বে এই বাহিনীকে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানিয়েছেন।
মতামত