অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ৪ মে দুপুরে ঝাউতলা এলাকায় নিবির নামে এক যুবককে মারধর করছিল কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা। সিফাতের বন্ধু সাজিদ এতে বাধা দিলে গ্যাং লিডার ফারদীন তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেয়। এর জের ধরে রাত ১১টার দিকে দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ফারদীন, ফারিয়াজ, বরাতসহ ১০-১৫ জনের একদল সন্ত্রাসী সিফাত ও সাজিদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে।
সন্ত্রাসীরা সিফাতকে লক্ষ্য করে ধারালো বগি দা দিয়ে কোপ দিলে তার বাম হাতের তালু ও আঙুল গুরুতর জখম হয়। এসময় হামলাকারীরা সাজিদের অটো গ্যারেজ এবং স্থানীয় সাত্তারের হোটেলে ভাঙচুর চালিয়ে ক্যাশ থেকে নগদ ১৩,৫০০ টাকা ও কয়েক হাজার টাকার মালামাল লুট করে। আহতরা জীবন বাঁচাতে বাড়িতে আশ্রয় নিলে সন্ত্রাসীরা বসতবাড়ির গেট ও পাশের চায়ের দোকান কুপিয়ে আরও ক্ষয়ক্ষতি করে।
এ ঘটনায় সিফাত বাদী হয়ে ৫ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ১৫ জনকে আসামি করে বন্দর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। আহতদের উদ্ধার করে বন্দর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মুক্তার আশরাফ জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মতামত