আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানায়, জনপ্রতিনিধির পরিচয়ের আড়ালে সোহেল মেম্বার এলাকায় নিজস্ব সন্ত্রাসী বাহিনী গড়ে তোলেন। নতুন ভবন নির্মাণ, ড্রেজার ব্যবসা ও স্থানীয় ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের চাঁদা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। চাঁদা না দিলে হামলা ও মারধর ছিল নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা। এছাড়া তার ছত্রছায়ায় এলাকায় মাদকের বড় নেটওয়ার্ক গড়ে ওঠে এবং সাধারণ মানুষের জমি দখলের অসংখ্য অভিযোগ রয়েছে।
গ্রেপ্তারের পর সোহেলকে বন্দর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এলাকায় দুর্ধর্ষ এই ক্যাডার গ্রেপ্তারের খবরে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। পুলিশ জানায়, এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে চিহ্নিত অপরাধীদের বিরুদ্ধে এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মতামত