দগ্ধরা হলেন, অটোরিকশাচালক আব্দুল কাদির (৫০) এবং তার তিন ছেলে মো. মেহেদী (১৭), মো. সাকিব (১৬) ও মো. রাকিব (১৬)। তারা স্থানীয় শওকত আলী গাজীর বাড়ির ভাড়াটিয়া।
প্রতিবেশী ও স্থানীয়রা জানান, ওই বাড়ির পাশের গ্যাসের লাইনে দীর্ঘদিনের লিকেজ ছিল। ধারণা করা হচ্ছে, লিকেজ থেকে ঘরের ভেতর গ্যাস জমে ছিল। সকালে চুলা জ্বালাতে গেলে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে এবং মুহূর্তেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে। তবে প্রাথমিকভাবে কেউ কেউ ফ্রিজের কম্প্রেসার বিস্ফোরণেরও সন্দেহ করছেন। বিকট শব্দ শুনে প্রতিবেশীরা ছুটে গিয়ে বাবা ও তিন ছেলেকে দগ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান।
বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. শাওন বিন রহমান জানান, আব্দুল কাদিরের শরীরের ৫৭ শতাংশ, রাকিবের ২৫ শতাংশ, মেহেদীর ১৮ শতাংশ এবং সাকিবের ১৭ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। তাদের সবারই চিকিৎসা চলছে।
নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের উপ-পরিচালক আব্দুল্লাহ আল আরিফিন জানান, বিস্ফোরণের প্রকৃত কারণ এখনো নিশ্চিত নয়। তদন্তের পর এটি গ্যাস লিকেজ নাকি অন্য কোনো কারণে ঘটেছে তা পরিষ্কারভাবে বলা যাবে।
মতামত