বিদ্যুৎ বিভাগ সূত্রে জানা যায়, চলতি অর্থবছরে বিদ্যুৎ খাতে প্রায় ৫৬ হাজার কোটি টাকার বিশাল ঘাটতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। এই ঘাটতি সামাল দিতে পাইকারি পর্যায়ে দাম বাড়িয়ে ভর্তুকি কমানো এবং আবাসিক গ্রাহকদের জন্য মূল্য সমন্বয়ের তিনটি বিকল্প প্রস্তাব দিয়েছে পিডিবি। ইতিমধ্যে বিষয়টি পর্যালোচনার জন্য অর্থমন্ত্রীকে প্রধান করে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটিও গঠন করা হয়েছে।
এদিকে, বৈশ্বিক সংকটের কারণে এমনিতেই জ্বালানি ও নিত্যপণ্যের ঊর্ধ্বমুখীতে দিশেহারা সাধারণ মানুষ। এর মধ্যে বিদ্যুতের দাম বাড়লে বাড়িভাড়াসহ দৈনন্দিন ব্যয় আরও বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কায় জনমনে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা অবশ্য দাম বাড়ানোর আগে খাতের অপচয় ও ব্যয় কমানোর পরামর্শ দিয়েছেন। জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ড. শামসুল আলম বলেন, অযৌক্তিক ব্যয় কমিয়ে বিদ্যুতের প্রকৃত খরচ নির্ধারণ করা জরুরি। ব্যয়বহুল জ্বালানির বদলে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানো গেলে বড় অঙ্কের অর্থ সাশ্রয় সম্ভব।
সরকার এর আগে আগামী দুই বছর বিদ্যুতের দাম না বাড়ানোর পরিকল্পনা করলেও বর্তমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় সেই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।
মতামত