সারাদেশ

সরকারি কার্যালয়গুলোকে দলীয় কার্যালয়ে পরিণত করেছে বিএনপি: মহানগর জামায়াত আমির

প্রিন্ট
সরকারি কার্যালয়গুলোকে দলীয় কার্যালয়ে পরিণত করেছে বিএনপি: মহানগর জামায়াত আমির

প্রকাশিত : ১৫ মে ২০২৬, রাত ১০:৫৮

নারায়ণগঞ্জ মহানগর জামায়াতের আমির মাওলানা আব্দুল জব্বার বলেছেন, নতুন বাংলাদেশের আকাক্সক্ষা ছিল সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো দলীয় প্রভাবমুক্ত থাকবে। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয়, নির্বাচনের পর বিএনপির ভাইয়েরা সরকারি কার্যালয়গুলোকে তাদের দলীয় কার্যালয়ে পরিণত করেছে। মানুষের অধিকার ও প্রয়োজন পূরণ না করে তারা জুলাই বিপ্লবের চেতনাকে ক্ষুন্ন করছে।

শুক্রবার (১৫ মে) বিকেলে রূপগঞ্জের তারাব পৌর অডিটোরিয়ামে উপজেলা জামায়াত আয়োজিত ইউনিট সভাপতি ও সেক্রেটারি সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মাওলানা আব্দুল জব্বার আরও বলেন, আমরা দেখছি জেলা পরিষদ ও সিটি কর্পোরেশনে জনগণের প্রতিনিধির পরিবর্তে দলীয় প্রতিনিধিদের বসিয়ে প্রতিষ্ঠানগুলোকে দলীয় স্বার্থে ব্যবহার করা হচ্ছে। জনগণের প্রত্যাশাকে উপেক্ষা করে দলীয় নেতাকর্মীদের তুষ্ট করার রাজনীতি চলছে। এমন পরিস্থিতি চলতে থাকলে অল্প সময়ের মধ্যে জনরোষ তৈরি হতে পারে, যা বিএনপি ও সরকারের ভেবে দেখা উচিত।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জেলা জামায়াতের আমির আলহাজ্ব মমিনুল হক সরকার প্রতিটি পাড়া-মহল্লায় সংগঠনের ভিত্তি মজবুত করার আহ্বান জানান। সেক্রেটারি মো. হাফিজুর রহমান অভিযোগ করেন, নির্বাচনের পর জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে গাদ্দারি করা হচ্ছে, যার জবাব জনগণ রাজপথেই দেবে। অন্য বক্তারা রূপগঞ্জে পুনরায় শুরু হওয়া চাঁদাবাজি, দখলবাজি ও অস্ত্রবাজির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধের ডাক দেন।

নারায়ণগঞ্জ জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ ইসরাফিল হোসাইনের সভাপতিত্বে ও সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন মাওলানা সাইফুল ইসলাম সিরাজী, মাওলানা ফারুক আহমেদ ও মো. আব্দুল মজিদ প্রমুখ। সম্মেলন শেষে জেলা আমির মমিনুল হক সরকার আগামী স্থানীয় নির্বাচনে রূপগঞ্জ উপজেলা ও বিভিন্ন ইউনিয়নে জামায়াত মনোনীত প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন। প্রার্থীরা হলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান আবদুল মোতালিব ভূইয়া। ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট ইসরাফিল হোসাইন।

ইউনিয়ন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী অ্যাডভোকেট আবদুস সামাদ মোল্লা (কায়েতপাড়া), কামারুজ্জামান কামাল (দাউদপুর), হাফেজ ফেরদাউসুর রহমান (মুড়াপাড়া), অ্যাডভোকেট রায়হান ইসলাম (ভোলাব) এবং মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর মোল্লা (ভুলতা)।