লিখিত বক্তব্যে আজহারুল ইসলাম জানান, ১৯৯৯ সালে সালন্দর এলাকার লাভলী বেগমের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই পৈতৃক জমি নিজের নামে লিখে নেওয়ার জন্য লাভলী তার ওপর মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন শুরু করেন। নির্যাতন সইতে না পেরে চলতি বছরের ২৬ এপ্রিল তিনি স্ত্রীকে প্রচলিত আইনে তালাক দেন।
আজহারুল ইসলামের অভিযোগ, তালাকের জেরে গত ১৪ মে লাভলী তার ভাই ও আরও ৩০-৩৫ জন লোক নিয়ে মাদ্রাসায় হামলা চালায় এবং দরজায় তালা ঝুলিয়ে দেয়। হামলায় আজহারুল ও তার ভাই-বোন আহত হয়ে ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। ৯৯৯-এ কল দিলে পুলিশ গিয়ে তাদের উদ্ধার করে। বর্তমানে তারা নিজের বাসায় ফিরতে পারছেন না এবং মাদ্রাসাটি তালাবদ্ধ থাকায় শিক্ষার্থীদের পাঠদান বন্ধ রয়েছে। এই পরিস্থিতি থেকে পরিত্রাণ পেতে তিনি প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগীর ভাই আব্দুল আলিম ও জাহাঙ্গীর আলম উপস্থিত ছিলেন।
মতামত