গ্রেফতারকৃতরা হলেন, সোহেল রানা (৩২), বিপ্লব ইসলাম (২৭), নাজমুল হোসেন ওরফে রাব্বি (২২), সাকিব খান (২৬) এবং নাইম আহাম্মেদ (২৮)। ঘটনার পেছনে অন্য কোনো আর্থিক বিরোধ বা কারণ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে আসামিদের রিমান্ডে নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার (১৪ মে) দুপুরে সদর থানার কনস্টেবল আজিজুল ইসলাম সিভিল পোশাকে মাদক ব্যবসায়ীদের তালিকা তৈরির কাজ করার সময় শহরের পুরাতন ওয়ালটন সার্ভিস মোড়ে একদল যুবক তাঁর পথরোধ করে। পরে তাঁকে জোরপূর্বক একটি প্রাইভেটকারে তুলে মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া হয় এবং সাকিব মটরস নামের একটি দোকানে আটকে রেখে চাঁদা দাবি করা হয়।
আসামিরা ক্ষুব্ধ হয়ে এই থানায় থাকতে হলে আমাদের চাঁদা দিতে হবে বলে হুমকি দেয় এবং তিনটি ১০০ টাকার ফাঁকা নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করতে বাধ্য করে। প্রতিবাদ করলে আসামিরা লাঠিসোটা দিয়ে পিটিয়ে তাঁকে গুরুতর জখম করে এবং মুখ চেপে ধরে শ্বাসরোধে হত্যার চেষ্টা চালায়। পরে পুলিশ সদস্যকে উদ্ধার করে ঠাকুরগাঁও ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
এ ঘটনায় শুক্রবার (১৫ মে) কনস্টেবল আজিজুল ইসলাম বাদী হয়ে সরকারি কাজে বাধা, অপহরণ, চাঁদা দাবি ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে মামলা দায়ের করেন।
ঠাকুরগাঁও সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মনির হোসেন জানান, সাদা পোশাকে দায়িত্ব পালনরত একজন পুলিশ সদস্যের ওপর এমন হামলা অত্যন্ত গুরুতর ঘটনা। অভিযোগ পাওয়ার পরপরই অভিযান চালিয়ে এজাহারভুক্ত পাঁচ আসামিকেই গ্রেফতার করা হয়েছে।
মতামত