গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন, ফতুল্লার আলীগঞ্জ এলাকার মো. শান্ত হোসেন (২৭), মো. আহাদ আলী (২৩), মো. রুবেল (৩২), আশিক (২৩), মো. জুম্মন (২৩) ও মো. জাহিদ হাসান শুভ (২৫)।
পিবিআই জানায়, নিহত আতিকুল ফতুল্লার কাজী পাড়া বাজারে বিকাশের ব্যবসা করতেন। ২০২৩ সালের ৯ নভেম্বর সকালে আতিকুলের কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা ধার নেন পাশের আরেক বিকাশ ব্যবসায়ী আলী সম্রাট। ওই রাতে পাওনা টাকা ফেরত দেওয়ার কথা বলে সম্রাট তাঁকে আলীগঞ্জ রেললাইন এলাকায় ডেকে নেন। সেখানে টাকা ফেরত দেওয়ার পরপরই পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী শান্ত ও আহাদসহ অন্য আসামিরা আতিকুলকে ঘিরে ধরে। তারা জোরপূর্বক ওই টাকাসহ আতিকুলের কাছে থাকা বাড়তি টাকা ছিনিয়ে নেয়। এরপর ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাঁকে কুপিয়ে হত্যার পর লাশ স্থানীয় একটি পুকুরে ফেলে দেয়। দুদিন পর ওই পুকুর থেকে তাঁর লাশ উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় নিহতের চাচার দায়ের করা হত্যা মামলাটি ২০২৪ সালের অক্টোবরে পিবিআইয়ের কাছে হস্তান্তর করা হয়। দীর্ঘ তদন্ত শেষে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় গত ১৩ ও ১৪ মে ফতুল্লার বিভিন্ন এলাকায় সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে এই ছয়জনকে গ্রেপ্তার করে পিবিআইয়ের আভিযানিক দল।
পিবিআই আরও জানায়, গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে মূল আসামি শান্ত হোসেন গত ১৩ মে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। তিন দিনের রিমান্ড শেষে রবিবার আরেক আসামি আহাদ আলীও ১৬৪ ধারায় হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত পলাতক অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
মতামত