শনিবার সকালে সোনারগাঁ থানা পুলিশ তাকে আদালতে হাজির করলে বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম সারোয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ২৪ ডিসেম্বর ফারুক ও তার সহযোগীরা উমায়ের নামের এক যুবককে ডেকে নিয়ে হত্যার পর মরদেহ মেঘনা নদীতে ফেলে দেয়। নিখোঁজের তিন দিন পর মুন্সীগঞ্জ নৌ-পুলিশ নদী থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় নিহতের মা আনার কলির দায়ের করা সাধারণ ডায়েরিটি (জিডি) পরে হত্যা মামলায় রূপ নেয়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, শম্ভুপুরা ও হোসেন্দী এলাকায় ফারুক এক মূর্তিমান আতঙ্কের নাম। তার বিরুদ্ধে আলী মাতব্বর হত্যা মামলাসহ অস্ত্র, মাদক, চাঁদাবাজি ও দখলের অন্তত আটটি মামলা রয়েছে। একটি অস্ত্র মামলায় তার ১৭ বছরের সাজা হলেও উচ্চ আদালত থেকে জামিনে বেরিয়ে সে পুনরায় বেপরোয়া হয়ে ওঠে। রাজনৈতিক ছত্রচ্ছায়ায় থেকে ভাই মাসুদকে নিয়ে নদীপথে মাদকের চালান ও চাঁদাবাজির বড় একটি সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করত সে। ছেলের হত্যাকারীর গ্রেপ্তারের খবরে স্বস্তি প্রকাশ করে নিহতের মা আনার কলি ও স্ত্রী কান্নাজড়িত কণ্ঠে জড়িত সবার ফাঁসির দাবি জানান।
দীর্ঘদিন পর এলাকার শীর্ষ এই সন্ত্রাসী গ্রেপ্তার হওয়ায় জনমনে স্বস্তি ফিরলেও তার সহযোগীরা এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকায় আতঙ্ক কাটেনি। নিহতের পরিবার ও এলাকাবাসী দ্রুত ফারুকের অন্য সহযোগীদেরও গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
মতামত