পদত্যাগপত্রে স্বাস্থ্যগত কারণের কথা উল্লেখ করা হলেও এর নেপথ্যে অন্য কারণ রয়েছে বলে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক গুঞ্জন রয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, জেলা পরিষদ গঠন নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরে জটিলতা চলছিল। নিয়োগে বিভিন্ন পক্ষের চাপ, তদবির, আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ এবং মন্ত্রীর এক ঘনিষ্ঠ কর্মকর্তার বিতর্কিত কর্মকাণ্ড নিয়ে মন্ত্রণালয় ও এলাকায় ব্যাপক অসন্তোষ ছিল। ধারণা করা হচ্ছে, অসুস্থ দীপেন দেওয়ানের পক্ষে এই প্রবল রাজনৈতিক চাপ সামলানো সম্ভব হচ্ছিল না বলেই তিনি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
বিসিএস (বিচার) বিভাগের সাবেক কর্মকর্তা দীপেন দেওয়ানের বাবা সুবিমল দেওয়ান শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের উপদেষ্টা ছিলেন। বেগম খালেদা জিয়ার পরামর্শে তিনি সরকারি চাকরি ছেড়ে বিএনপির রাজনীতিতে যুক্ত হন। দীপেন দেওয়ানের এই পদত্যাগের ফলে সরকার যদি টেকনোক্র্যাট কোটায় কাউকে নিয়োগ না দেয়, তবে নির্বাচিতদের মধ্য থেকে বান্দরবানের সংসদ সদস্য সা চিং প্রু জেরির মন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
মতামত