নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির ও জেলা পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান মুন্সীর উপস্থিতিতে এ কার্যক্রম পরিচালিত হয়। প্রচণ্ড গরমে হঠাৎ এমন উপহার পেয়ে সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। উপকারভোগী এক অটোরিকশাচালক বলেন, এত রোদের মধ্যে গাড়ি চালানো অনেক কষ্টের। ঠান্ডা পানি খেয়ে প্রাণটা জুড়ালো। ডিসি ও এসপি স্যার আমাদের কথা মনে রেখেছেন, এটাই অনেক।
নারায়ণগঞ্জ জেলা ট্রাফিক ইনচার্জ এম এ করিম বলেন, প্রচণ্ড গরমে সড়কে ডিউটি করা খুবই কষ্টকর। ঠান্ডা পানি ও ওরস্যালাইন পেয়ে ট্রাফিক সদস্যরা উজ্জীবিত হয়েছেন। এই উদ্যোগ আমাদের মনোবল বাড়িয়েছে।
এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির বলেন, তীব্র গরমেও জীবিকার তাগিদে মানুষকে রাস্তায় বের হতে হচ্ছে। শ্রমজীবী মানুষ যেন কিছুটা স্বস্তি পান, সে চিন্তা থেকেই এ উদ্যোগ। জনগণের পাশে থাকাই প্রশাসনের মূল দায়িত্ব। পাশাপাশি তিনি সমাজের বিত্তবান ও সামাজিক সংগঠনগুলোকে এই পরিস্থিতিতে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।
পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান মুন্সী বলেন, তাপদাহের মধ্যেও পুলিশ সদস্যরা ঝুঁকি নিয়ে সড়কে দায়িত্ব পালন করছেন। সাধারণ মানুষের কষ্ট লাঘবে জেলা প্রশাসনের সঙ্গে পুলিশ একযোগে কাজ করছে এবং জনসেবায় সবসময় পাশে থাকবে। ব্যতিক্রমী ও মানবিক এই উদ্যোগকে জেলার সর্বস্তরের নাগরিকরা সাধুবাদ জানিয়েছেন।
মতামত