দগ্ধদের উদ্ধার করে ঢাকার শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, আহতদের মধ্যে চারজনের অবস্থাই অত্যন্ত আশঙ্কাজনক।
দগ্ধরা হলেন, ভাড়াটিয়া আব্দুল মান্নান (৫০), তার স্ত্রী সুলতানা বেগম (৩৫), ছেলে সিয়াম (৯), মেয়ে মিম (১১) এবং প্রতিবেশী শিশু হযরত আলী (১০)।
বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. শাওন বিন রহমান জানান, দগ্ধদের মধ্যে সুলতানার শরীরের ৯০ শতাংশ, সিয়ামের ৭৭ শতাংশ, মিমের ৪১ শতাংশ এবং মান্নানের ৩০ শতাংশ পুড়ে গেছে। এ ছাড়া শিশু হযরত আলী ৮ শতাংশ দগ্ধ হওয়ায় তাকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাতে এলপিজি সিলিন্ডারের লিকেজ থেকে রান্নাঘরে গ্যাস জমে ছিল। সকালে ঘরের জানালা না খুলেই সুলতানা বেগম চুলা জ্বালাতে গেলে মুহূর্তের মধ্যে বিস্ফোরণ ঘটে এবং ঘরে আগুন লেগে যায়।
নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপ-পরিচালক আব্দুল্লাহ আল আরিফিন জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে ঘরের ভেতর জমে থাকা গ্যাস থেকেই এই বিস্ফোরণ। ঘটনার সুনির্দিষ্ট কারণ ও ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণে কাজ চলছে।
মতামত