এলাকাবাসীর অভিযোগ, অভিযুক্ত জুনায়েদ চট্টগ্রাম পুলিশে কর্মরত এবং বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাজনৈতিক প্রভাবে চাকরি পান। পুলিশ পরিচয় ব্যবহার করে তিনি দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় প্রভাব বিস্তার ও ভয়ভীতি দেখিয়ে আসছিলেন। এ ঘটনার পর থেকে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত সাজ্জাদ হোসেন জুনায়েদ চাঁদাবাজির দাবি অস্বীকার করে বলেন, আমি ছুটিতে বাড়িতে আসার পর জানতে পারি বিল্লাল মুন্সী আমার ভাইয়ের ড্রেজার ভেঙে ফেলেছেন। এ নিয়ে বাজারে তার সঙ্গে কথা-কাটাকাটি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। ছাত্রলীগের সঙ্গে যুক্ত থাকার বিষয়টিও তিনি অস্বীকার করেন।
সোনারগাঁও উপজেলার বারদী এলাকার এই ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনতে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন স্থানীয় সচেতন মহল।
মতামত