আটক আক্তার হোসেন বন্দর উপজেলার কুশিয়ারা সুতারপাড়া এলাকার শাহাবুদ্দিন মিয়ার ছেলে।
মামলা ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী মমতাজ আক্তারের (৫০) তিন তলা বাড়ির কাজ করার সুবাদে গ্রিল মিস্ত্রি আক্তারের সাথে তাঁর পূর্ব পরিচয় ছিল। গত ১৬ জুন দুপুরে আক্তার সুকৌশলে মমতাজের ফ্ল্যাটে প্রবেশ করে। মমতাজ রান্নাঘরে গেলে আক্তার তাঁর গলায় ছুরি ধরে হত্যার হুমকি দেয় এবং স্বর্ণের চেইন ও কানের দুল ছিনিয়ে নেয়। বাধা দিলে মমতাজকে ছুরিকাঘাত করে রক্তাক্ত জখম করা হয়।
পরে তাঁকে ঘরে আটকে রেখে আলমারি ভেঙে নগদ ৫০-৬০ হাজার টাকা, ২ ভরি স্বর্ণালঙ্কার ও দামী মালামাল লুট করে পালিয়ে যায় আক্তার।
ঘটনার তিন দিন পর আজ সকালে আক্তার পুনরায় ওই এলাকায় সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করার সময় এলাকাবাসী তাকে চিনে ফেলে এবং ধাওয়া দিয়ে আটক করে। খবর পেয়ে বন্দর ফাঁড়ির পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে উত্তেজিত জনতার হাত থেকে তাকে উদ্ধার করে। গণধোলাইয়ে আহত আক্তারকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে।
বন্দর থানা পুলিশ জানায়, লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধার এবং এই ঘটনার সাথে অন্য কেউ জড়িত কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী গৃহবধূ বাদী হয়ে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
মতামত