সারাদেশ

নাগেশ্বরী ও ফুলবাড়ীতে জামায়াতের ওয়ার্ড-ইউনিট দায়িত্বশীল শিক্ষা শিবির অনুষ্ঠিত

প্রিন্ট
নাগেশ্বরী ও ফুলবাড়ীতে জামায়াতের ওয়ার্ড-ইউনিট দায়িত্বশীল শিক্ষা শিবির অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত : ২১ জুন ২০২৬, দুপুর ২:১৬

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী ও ফুলবাড়ী উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে ওয়ার্ড ও ইউনিট দায়িত্বশীলদের নিয়ে দিনব্যাপী শিক্ষা শিবির অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

শনিবার নাগেশ্বরী উপজেলার নেওয়াশী মহাবিদ্যালয়ের হলরুমে আয়োজিত এ শিক্ষা শিবিরে দুই উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীল নেতাকর্মীরা অংশ নেন।

ডেলিগেট কার্ড সংগ্রহ ও উপস্থিতি নিবন্ধনের মধ্য দিয়ে কর্মসূচির সূচনা হয়। পরে অংশগ্রহণকারীরা সকালের নাস্তা শেষে নির্ধারিত আসনে যোগ দেন।

পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়। উদ্বোধনী বক্তব্য দেন নাগেশ্বরী উপজেলা জামায়াতের আমীর মো. আব্দুল মান্নান মিয়া।

শিক্ষা শিবিরে সাহাবায়ে কেরাম (রা.)-এর জীবনাদর্শ, চরিত্র গঠনের মৌলিক উপাদান, নামাজ আদায়ের পদ্ধতি ও বৈশিষ্ট্য, দাওয়াতি কার্যক্রমের কৌশল, সংগঠন সম্প্রসারণে ওয়ার্ড ও ইউনিট দায়িত্বশীলদের ভূমিকা, বর্তমান প্রেক্ষাপটে দায়িত্বশীলদের করণীয়, আনুগত্য, পরামর্শ ও ইহতেসাব বিষয়ক পৃথক সেশন অনুষ্ঠিত হয়। পাশাপাশি প্রশ্নোত্তর ও মতবিনিময় পর্বও অনুষ্ঠিত হয়।

দারসুল কোরআন উপস্থাপন করেন কেন্দ্রীয় ইউনিট সদস্য ও অঞ্চল তত্ত্বাবধায়ক সহকারী মাওলানা আব্দুল মতিন ফারুকী।

‘চরিত্র গঠনের মৌলিক উপাদান’ বিষয়ে বই আলোচনা করেন কুড়িগ্রাম জেলা মজলিসে শূরা সদস্য অধ্যাপক আব্দুল জলিল সরকার।

‘দাওয়াত দানের পদ্ধতি ও কৌশল’ বিষয়ে আলোচনা করেন জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা আব্দুল হামিদ মিয়া। ‘সংগঠন সম্প্রসারণে ওয়ার্ড ও ইউনিট দায়িত্বশীলদের করণীয়’ বিষয়ে বক্তব্য দেন জেলা সেক্রেটারি মাওলানা মো. নিজাম উদ্দিন।

বর্তমান প্রেক্ষাপটে দায়িত্বশীলদের করণীয় বিষয়ে প্রশ্নোত্তর ও আলোচনা পরিচালনা করেন কুড়িগ্রাম জেলা জামায়াতের আমীর অধ্যাপক আজিজুর রহমান সরকার।

তিলাওয়াতুল কোরআন বিষয়ক সেশন পরিচালনা করেন মুয়াল্লিম মো. মোতালেব হোসাইন। ‘আনুগত্য, পরামর্শ ও ইহতেসাব’ বিষয়ে আলোচনা করেন জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মো. শাহ জালাল সবুজ।

সমাপনী অধিবেশনে বক্তব্য দেন ফুলবাড়ী উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা আব্দুল মালেক।

বক্তারা বলেন, ব্যক্তি গঠন, সংগঠন পরিচালনা এবং সমাজ পরিবর্তনে দায়িত্বশীলদের কার্যকর ভূমিকা রাখতে আদর্শিক চর্চা ও সাংগঠনিক দক্ষতা বৃদ্ধির বিকল্প নেই।

দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ, আলোচনা ও মতবিনিময়ের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

শেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।

আয়োজকরা জানান, তৃণমূল পর্যায়ের দায়িত্বশীলদের দক্ষতা ও আদর্শিক মানোন্নয়নে ভবিষ্যতেও এ ধরনের শিক্ষা শিবির আয়োজন অব্যাহত থাকবে।