সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেবীগঞ্জ উপজেলার পিআইও বাবুল চন্দ্র রায়কে নিয়ে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়। তবে ভিডিওটি পর্যবেক্ষণ করে সচেতন মহল ও জনপ্রতিনিধিদের অনেকেই বলছেন, সেখানে সরাসরি টাকা গ্রহণ বা লেনদেনের কোনো দৃশ্য দেখা যায়নি।
দেবীগঞ্জ সদর ইউনিয়নের জনপ্রতিনিধিরা জানান, বাবুল চন্দ্র রায় প্রায় ছয় মাস আগে দেবীগঞ্জে যোগদানের পর থেকে সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে আসছেন। কোনো প্রকল্পের অর্থ ছাড়ের আগে তিনি নিজে উপস্থিত থেকে কাজের মান ও অগ্রগতি যাচাই করেন।
দেবীগঞ্জ সদর ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান আব্দুল মজিদ বলেন, ভাইরাল হওয়া ভিডিওটি আমি দেখেছি। সেখানে পিআইওকে কোনো টাকা গ্রহণ করতে দেখা যায়নি। কেউ হয়তো নিজের টাকা গুনে ভিডিও ধারণ করে তাকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করেছে।
১ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ফরহাদ হোসেন এবং ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য ভরত চন্দ্র রায়ও একই সুর মিলিয়ে বলেন, প্রকল্পের কাজে সততা বজায় রাখায় পিআইওকে পরিকল্পিতভাবে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হয়েছে। ভিডিওতে টাকা গুনতে দেখা গেলেও সেই টাকা পিআইও গ্রহণ করেছেন এমন কোনো দৃশ্য নেই।
এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে পিআইও বাবুল চন্দ্র রায় বলেন, যে ভিডিওটি প্রকাশ করা হয়েছে, সেখানে কোনো টাকা লেনদেনের ঘটনা ঘটেনি। আমি ক্যালকুলেটরে ভ্যাট-ট্যাক্সের হিসাব করছিলাম। মূলত দুইজন ইউপি সদস্য ব্যক্তিগত উদ্দেশ্যে আমাকে ফাঁসানোর জন্য এই ভিডিও ধারণ ও প্রচার করেছে।
উল্লেখ্য, ভাইরাল ভিডিও প্রকাশের পর পিআইও বাবুল চন্দ্র রায়কে ইতিমধ্যে বদলি করা হয়েছে এবং বিষয়টি নিয়ে তদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। তবে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের দাবি, কোনো জোরালো প্রমাণ ছাড়াই একজন কর্মকর্তাকে এভাবে হেনস্তা করা হয়েছে।
মতামত