মঙ্গলবার দুপুরে ঠাকুরগাঁও জেলা ও দায়রা জজ আদালতের শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আলী মনসুর এ রায় ঘোষণা করেন। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ৯(১) ধারায় আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করে এ দণ্ডাদেশ দেওয়া হয়। অর্থদণ্ড অনাদায়ে তাকে আরও এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
দণ্ডপ্রাপ্ত আব্দুল মমিন রাণীশংকৈল উপজেলার ভাংবাড়ী এলাকার মৃত জালাল বৈরাগী ওরফে প্রামাণিকের ছেলে।
রায়ে আদালত বলেন, অর্থদণ্ড থেকে আদায় করা পুরো অর্থ ভুক্তভোগীকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে দিতে হবে। প্রয়োজনে দণ্ডিতের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি নিলামে বিক্রি করে ক্ষতিপূরণের অর্থ আদায়ের জন্য জেলা প্রশাসককে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মামলার নথি অনুযায়ী, ২০১৫ সালের ২২ অক্টোবর রাতে রাণীশংকৈল উপজেলার ভাংবাড়ী এলাকায় নিজ বাড়িতে একা থাকা ১৪ বছর বয়সী বাকপ্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণ করেন আব্দুল মমিন। এ সময় কিশোরীর মা ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্তকে হাতেনাতে ধরে ফেললেও তিনি পালিয়ে যান। পরে এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করা হয়।
একই মামলার অপর আসামি এরশাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত না হওয়ায় তাকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত।
রায়ের পর রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এনতাজুল ইসলাম বলেন, দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ভুক্তভোগী পরিবার ন্যায়বিচার পেয়েছে। এ রায় সমাজে ইতিবাচক বার্তা দেবে এবং এ ধরনের অপরাধে জড়িতদের জন্য কঠোর সতর্কবার্তা হিসেবে কাজ করবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
মতামত