মঙ্গলবার জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির আয়োজনে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সম্মেলন কক্ষে "মামলা জট নিরসনে বাধ্যতামূলক প্রি-কেইস মেডিয়েশন এবং পোস্ট-কেইস মেডিয়েশনের ভূমিকা" শীর্ষক এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে রংপুরের নবাগত সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক।
সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির চেয়ারম্যান ও রংপুরের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ হালিম উল্লাহ চৌধুরী। প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থার মহাপরিচালক সিনিয়র জেলা জজ মো. মঞ্জুরুল হোসেন।
বক্তারা বলেন, দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলার দীর্ঘসূত্রতা কমাতে মেডিয়েশন একটি কার্যকর বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি পদ্ধতি। প্রি-কেইস ও পোস্ট-কেইস মেডিয়েশনের মাধ্যমে সাধারণ মানুষ দ্রুত, স্বল্প ব্যয়ে এবং হয়রানিমুক্তভাবে ন্যায়বিচার পাওয়ার সুযোগ পান।
সেমিনারে বক্তব্য দেন রংপুরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক। তিনি বলেন, আদালতের মামলা জট কমাতে পুলিশ প্রশাসন জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করবে। অনেক দেওয়ানি বিরোধ এবং ছোটখাটো ফৌজদারি মামলার বিরোধ থানা পর্যায়েই মেডিয়েশনের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা সম্ভব। এতে একদিকে যেমন জনগণের ভোগান্তি কমবে, অন্যদিকে পুলিশও গুরুত্বপূর্ণ মামলার তদন্তে আরও বেশি সময় ও মনোযোগ দিতে পারবে।
তিনি আরও বলেন, সমাজে মেডিয়েশনের সংস্কৃতি গড়ে তুলতে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে পুলিশ জনগণের পাশে থেকে দায়িত্ব পালন করে যাবে।
মতামত