সম্প্রতি কিছু গণমাধ্যমে ভায়াডাক্টের নিচ থেকে মাটি কাটার ফলে রেললাইনের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করা হলেও মন্ত্রী তা পুরোপুরি ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দেন। তিনি জানান, ঢাকা থেকে মাওয়া পর্যন্ত ১৬.৭৬ কিলোমিটার দীর্ঘ ভায়াডাক্ট নির্মাণের সময় জলাভূমিতে ভারী যন্ত্রপাতি চলাচলের সুবিধার্থে অস্থায়ীভাবে মাটি ভরাট করা হয়েছিল। আন্তর্জাতিক নিয়ম মেনে এবং প্রকল্পের নকশা অনুযায়ী এখন সেই অস্থায়ী মাটি অপসারণ করে জায়গাটিকে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
প্রকল্পের বর্তমান অবস্থা ও নিরাপত্তা বিষয়ে মন্ত্রী যা জানান, ১৬.৭৬ কিলোমিটারের মধ্যে ইতোমধ্যে ১৪.৪ কিলোমিটার এলাকার অস্থায়ী ভরাট অপসারণ শেষ হয়েছে। বাকি আছে মাত্র ২.৩৪ কিলোমিটার অংশের কাজ।
কাঠামোগত নিরাপত্তা গড়ে প্রায় সাড়ে ৩ ফুট মাটি অপসারণ করা হবে। মূল মাটির স্তরেরও ৭-৮ ফুট গভীরে ৬ ফুট পুরুত্বের পাইল ক্যাপ রয়েছে, যার নিচে রয়েছে প্রায় ২০০ ফুট গভীর পাইল। ফলে পুরো কাঠামো প্রকৌশলগতভাবে শতভাগ নিরাপদ।
এই মাটি অপসারণের ফলে এলাকার স্বাভাবিক জলপ্রবাহ, জলাভূমি ও পরিবেশের ভারসাম্য পুনরায় ফিরে আসবে। এছাড়া ভবিষ্যতে রেলওয়ের প্রয়োজনে এই জমি সম্প্রসারণ বা নতুন অবকাঠামো নির্মাণেও ব্যবহার করা যাবে।
স্থানীয়দের আশ্বস্ত করে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও বাংলাদেশ রেলওয়ে দেশের স্বার্থেই কাজ করছে এবং তারা সাধারণ মানুষের মতোই সচেতন। পুরো বিষয়টি নিবিড়ভাবে তদারকি করা হচ্ছে।
পরিদর্শনকালে আরও উপস্থিত ছিলেন সড়ক পরিবহন ও রেল প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ, রেল মন্ত্রণালয়ের সচিব ফাহিমুল ইসলাম, প্রকল্প পরিচালক ব্রিগেডিয়ার আবুল হাসনাত মোহাম্মদ সায়েম, নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান মুন্সি, জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ, সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক সাখাওয়াত হোসেন খান এবং সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম ফয়েজ উদ্দিন আহমেদসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা
মতামত